ভিয়েতনামে নতুন ফসলের অপেক্ষায় ধীরে চলছে কফি বাণিজ্য

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ কফি উৎপাদনকারী দেশ ভিয়েতনামে কফি কেনাবেচা এখনো ধীরগতিতে চলছে।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ কফি উৎপাদনকারী দেশ ভিয়েতনামে কফি কেনাবেচা এখনো ধীরগতিতে চলছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত বিপণন বর্ষের (অক্টোবর ২০২৪-সেপ্টেম্বর ২০২৫) নতুন ফসলের বড় আকারের সরবরাহ এখনো বাজারে আসেনি। নভেম্বরের মাঝামাঝি নতুন কফিবীজ বাজারে আসতে শুরু করবে। তবে দেশটিতে টানা বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা থাকায় ফসল তোলার কাজ ব্যাহত হতে পারে। এতে কফি সরবরাহে বিলম্ব ঘটতে পারে বলে ধারণা ব্যবসায়ীদের। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

ভিয়েতনামের সবচেয়ে বড় কফি উৎপাদন অঞ্চল সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসে কৃষকরা রোবাস্তা কফি বিক্রি করছেন প্রতি কেজি ১ লাখ ১৫ হাজার ৫০০ থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ ডং দরে (৪ ডলার ৩৮ সেন্ট থেকে ৪ ডলার ৪২ সেন্ট)। আগের সপ্তাহে দর ছিল কিছুটা বেশি, ১ লাখ ১৭ হাজার থেকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ ডং। লন্ডনের ফিউচার মার্কেটে জানুয়ারিতে সরবরাহের চুক্তির আওতায় রোবাস্তা কফির দাম গত বুধবার বেড়ে পৌঁছেছে টনপ্রতি ৪ হাজার ৬১০ ডলারে, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ শতাংশ বেশি।

ভিয়েতনামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘টানা বৃষ্টির কারণে ভিয়েতনামে কফি চেরি সংগ্রহে বিলম্ব হতে পারে। এতে আগামী বছরের ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এখনো কফিবীজের মান মূল্যায়নের সময় হয়নি। কারণ বাজারে সরবরাহ এখনো সীমিত। যদি বৃষ্টি না হয়, তাহলে দুই সপ্তাহের মধ্যে বড় পরিমাণে বীজ বাজারে আসতে শুরু করবে।’

বর্তমানে দেশটির কৃষকরা জানুয়ারিতে সরবরাহের চুক্তির আওতায় ৫ শতাংশ কালচে ও ভাঙা দানার গ্রেড–২ রোবাস্তা কফি টনপ্রতি ১৫০-২০০ ডলার ছাড়ে বিক্রি করছেন, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১২০-১৫০ ডলার।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা অঞ্চলেও রোবাস্তা কফির সরবরাহ কমেছে। দেশটিতে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে সরবরাহের চুক্তির টনপ্রতি ছাড়ের পরিমাণ কমে নেমে এসেছে ৮০ ডলারে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ১২০ ডলার।

আরও